দার্শনিক বিদ্যাসাগর।
লিখেছেনঃরাজিক হাসান।
বিদ্যাসাগর এই দেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনের অন্যতম পথিকৃৎ।ভারতের ধর্ম ও দর্শন সম্বন্ধে গবেষণা ও গ্রন্থ রচনা করার সময় না পেলেও তিনি বর্ণ পরিচয় এবং ব্যাকরণ কৌমুদি রচনা করে আমাদের মহৎ উপকার করেছেন।তিনিই প্রথম বাংলা বর্ণমালার সমস্ত বর্ণগুলোকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি যুক্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে সাজাতে পেরেছিলেন।
বাংলা বর্ণমালার এই আশ্চর্য সজ্জা আমাদের আবাক করে।বর্ণমালার বর্ণগুলোর এই ধরনের বর্গীকরণের একটি অন্তর্নিহিত তাৎপর্য আছে যা বর্ণসংঙ্গীত গ্রন্থে তুলে ধরা হয়েছে।প্রসঙ্গত,ইংরেজি বর্ণমালার বর্ণগুলো এই রকম নিয়মে সাজানো নাই।বিদ্যাসাগরের "ব্যাকরণ কৌমুদি"পাণিনির সংস্কৃত ব্যাকরণের অন্তর্নিহিত যুক্তিশৃঙ্খলাকে বেশ সহজ ও সুন্দরভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।
নারী শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ও বিধবা বিবাহের প্রবর্তক তিনি।সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৫১ সালে সংস্কৃত কলেজের প্রিন্সিপ্যাল হন।এর অল্প কয়েকমাস পরে ব্রাক্ষণ ও বৈদ্য ছাড়াও কায়স্থারা কলেজে প্রবেশাধিকার পায়।আগে কলেজে পড়ার অনুমতি ছিল শুধু ব্রাক্ষণ ও বৈদ্যদের।
হিন্দুশাস্ত্রবিদ হয়েও ধর্মকে শিক্ষাক্ষেত্রে থেকে নির্বাসিত করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি বিদ্যাসাগর মহাশয়।তিনি কোনো ধর্মযাজকের কাছে ঘেষেণনি,মন্দির যাননি,পুজো আর্চা জপতপও করতেন না।কিন্তু তিনি মানবতায় উদ্বুদ্ধ দয়ার সাগর।এত সব সত্বেও স্বয়ং বিবেকানন্দ ভগিনী নিবেদিতাকে বলেছেন,শ্রীরামকৃষ্ণের পরেই তাঁর গুরু ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
১৮৩৯ সালের ১৬মে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত হন ,হিন্দু ল বোর্ড পরীক্ষায় অসামান্য কৃতিত্বের জন্য.২৬ জুলাই ১৮৫৬-তে বিধবাবিবাহ বিল পাস হয় তাঁর প্রচেষ্ঠায়।তার মৃত্যুতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন,"আশ্চর্যের বিষয়,কী করে ভগবান ৪ কোটি বাঙালির মধ্যে একটি মানুষ সৃষ্টি করেছিলেন।
লেখা সংগৃহীতঃকাগজ বার্তা(ম্যাগাজিন থেকে...)।
বাংলা বর্ণমালার এই আশ্চর্য সজ্জা আমাদের আবাক করে।বর্ণমালার বর্ণগুলোর এই ধরনের বর্গীকরণের একটি অন্তর্নিহিত তাৎপর্য আছে যা বর্ণসংঙ্গীত গ্রন্থে তুলে ধরা হয়েছে।প্রসঙ্গত,ইংরেজি বর্ণমালার বর্ণগুলো এই রকম নিয়মে সাজানো নাই।বিদ্যাসাগরের "ব্যাকরণ কৌমুদি"পাণিনির সংস্কৃত ব্যাকরণের অন্তর্নিহিত যুক্তিশৃঙ্খলাকে বেশ সহজ ও সুন্দরভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।
নারী শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ও বিধবা বিবাহের প্রবর্তক তিনি।সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৫১ সালে সংস্কৃত কলেজের প্রিন্সিপ্যাল হন।এর অল্প কয়েকমাস পরে ব্রাক্ষণ ও বৈদ্য ছাড়াও কায়স্থারা কলেজে প্রবেশাধিকার পায়।আগে কলেজে পড়ার অনুমতি ছিল শুধু ব্রাক্ষণ ও বৈদ্যদের।
হিন্দুশাস্ত্রবিদ হয়েও ধর্মকে শিক্ষাক্ষেত্রে থেকে নির্বাসিত করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি বিদ্যাসাগর মহাশয়।তিনি কোনো ধর্মযাজকের কাছে ঘেষেণনি,মন্দির যাননি,পুজো আর্চা জপতপও করতেন না।কিন্তু তিনি মানবতায় উদ্বুদ্ধ দয়ার সাগর।এত সব সত্বেও স্বয়ং বিবেকানন্দ ভগিনী নিবেদিতাকে বলেছেন,শ্রীরামকৃষ্ণের পরেই তাঁর গুরু ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
১৮৩৯ সালের ১৬মে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত হন ,হিন্দু ল বোর্ড পরীক্ষায় অসামান্য কৃতিত্বের জন্য.২৬ জুলাই ১৮৫৬-তে বিধবাবিবাহ বিল পাস হয় তাঁর প্রচেষ্ঠায়।তার মৃত্যুতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন,"আশ্চর্যের বিষয়,কী করে ভগবান ৪ কোটি বাঙালির মধ্যে একটি মানুষ সৃষ্টি করেছিলেন।
লেখা সংগৃহীতঃকাগজ বার্তা(ম্যাগাজিন থেকে...)।


0 মন্তব্যসমূহ
আপনার মন্তব্য পেশ করুন...