Header Ads Widget

একটি ছেলের অদম্য ইচ্ছাশক্তি(অদম্য কাহিনী)

একটি ছেলের অদম্য ইচ্ছাশক্তি(অদম্য কাহিনী)https://rokomarishikkha.blogspot.com/2018/07/blog-post_6.html

ছেলেটার বয়স যখন ৮ বছর,মাউন্ট এভারেস্টের ছবি দেখিয়ে তাঁর বাবা বলেছিলো,এর চূড়ায় উঠতে পারবে তুমি?ছেলেটা বুঝে হোক আর না বুঝে হোক ,সেদিন সে বলেছিলো সে পারবে।স্কুল জীবন শেষে বৃটিশ আর্মির এয়ার ডিভিশনে যোগ দেয় ছেলেটা।মনের ভেতর হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে দাঁড়িয়ে বিজয়ীর চিৎকার দেয়ার ইচ্ছে তখনো দমে যায়নি।এর ভেতর একদিন ঘটে গেলো দুর্ঘটনা।জাম্বিয়াতে ফ্রি ফল প্যারাশুটিং করার সময় মারাত্বক আঘাত পায় সে,শিরদাড়ার তিনটা কশেরুকা ভেঙ্গে যায়।ডাক্তার জানিয়ে দেয়,এজীবনে আর সে হাটতে পারবে না কোনো দিন।হুইলচেয়ারে কাটিয়ে দিতে হবে বাকিটা জীবন।
আর্মির চাকরি চলে যায়।সামনে বাকিটা জীবন পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে কাটিয়ে দেয়ার প্রতীক্ষা।স্রেফ অদম্য ইচ্ছাশক্তি থেকে ছেলেটা ১ বছরের ভেতর হুইলচেয়ার ছেড়ে উঠে দাড়ায়,হাটতে শুরু করে।এরপর দৌড়ানো শুরু করে।ডাক্তারদের সব ভবিষ্যৎবাণী মিত্থ্যে প্রমাণ করে দেয় ছেলেটি।উঠে দাড়ানোর জাস্ট ৬ মাসের মাথায় ছেলেটা মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে,২৩বছর বয়সে।
ছেলেটাকে আমরা সবাই চিনি Man vs Wild অনুষ্ঠানের সুবাদে।তার নাম বেয়ার গ্রীলস।সে চোখে আঙুল ধরে দেখিয়ে দিয়েছে,স্রেফ অদম্য ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ঠ আবারো জীবনে ঘুরে দাড়াবার জন্য।সাথে ইস্পাত কঠিন সংকল্প আর দৃড়তা।
অথচ আমি আপনি কী করছি? জীবনে এক দুটো ঝড় আসছে ,ব্যাস খড়কুটোর মতো উড়ে যাচ্ছি সেই ঝড়ে।চাকরি পাচ্ছেন না,ব্যবসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে গেছেন,গার্লফ্রেন্ড ছেড়ে দিয়েছে,বউ ডিভোর্স দিয়েছে,ব্যাস এটুকুতেই কাত হয়ে গেলেন?
>>>>আহত বাঘের মতো শেষ একটা থাবা বসান নিজের লক্ষ্যে আবারো,একটা মানুষ হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাড়ানোর ৬ মাসের মাথায় মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছে। আর আপনি স্রেফ বুদ্ধিমানের মতো ঠান্ডা মাথায় নিজের সমস্যার সমাধান করে আবারো জীবনে ঘুরে দাড়াতে পারবেন না নতুন করে?
এটা কী কিছু হলো?????U can do it.আপনিই পারবেন।
সকল সৃষ্টির সেরা সৃষ্টি আপনি নিজে।প্রয়োজন স্রেফ অদম্য ইচ্ছেশক্তির।যাই হোক জীবনে,যত ঝড় আসুক,আপনি স্বপ্ন দেখা বন্ধ করবেন না।ইচ্ছে শক্তিকে কখনো মারা যেতে দেবেন না।
লেখা সংগৃহীতঃ(কাগজ বার্তা)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Article End Ads