Header Ads Widget

এরিস্টটল।

এরিস্টটল,বিশ্ববিখ্যাত গ্রিক বিজ্ঞানী ও দার্শনিক।তাকে প্রাণীবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।শৈশবে তাঁর বাবা মারা যান এবং ১৭ বছর বয়সে তাঁর অভিভাবক প্রোগ্নোস তাঁকে এথেন্সে জ্ঞানার্জনে পাঠিয়ে দেন।এথেন্স তখন বিশ্বে জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র হিসেবে গণ্য হত।



তিনজন গ্রিক মনীষী জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতাকে সবচেয়ে প্রভাবিত করেছিলেন।তারা হলেন-সক্রেটিস,প্লেটো এবং এরিস্টটল।সক্রেটিসের সবচেয়ে প্রিয় ও বিখ্যাত শিষ্য ছিলেন প্লেটো।সক্রেটিস নিজে কিছু লেখেননি।

সক্রেটিসের কথা ও চিন্তা-ভাবনা সম্পর্কে আমরা জানতে পারি প্লেটোর লেখা থেকে।আর এরিস্টটল ছিলেন প্লেটোর শিষ্য।প্রায় ৪২ বছর বয়সে খ্রিষ্টপূর্ব ৩৪২ সালে মেসিডোনিয়ার রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ তাঁর ১৩ বছরের ছেলে আলেকজান্ডার-এর গৃহশিক্ষক হওয়ার জন্য এরিস্টটল-কে আমন্ত্রন জানান।

এরিস্টটল এই আমন্ত্রন গ্রহন করেন।এরিস্টটল তাঁর ছাত্র আলেকজান্ডারকে সামরিক বিদ্যাসহ একজন ভাবী রাজার উপযোগী অন্যান্য বিদ্যায় পারদর্শী করে তোলেন।বলা যায় এরিস্টটলের পদার্থবিদ্যা না থাকলে গ্যালিলিওর জন্ম হতো না।

এরিস্টটল,বিশ্ববিখ্যাত গ্রিক বিজ্ঞানী ও দার্শনিক।তাকে প্রাণীবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।শৈশবে তাঁর বাবা মারা যান এবং ১৭ বছর বয়সে তাঁর অভিভাবক প্রোগ্নোস তাঁকে এথেন্সে জ্ঞানার্জনে পাঠিয়ে দেন।এথেন্স তখন বিশ্বে জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র হিসেবে গণ্য হত।

সেখানে তিনি প্লেটোর একাডেমিতে সরাসরি প্লেটেোর  অধীনে প্রায় বিশ বছর শিক্ষা গ্রহণ করেন।খ্রিষ্টপূর্ব ৩৪৭ সালে প্লেটোর মৃত্যুর পর এরিস্টটলই একাডেমির প্রধান হবার যোগ্য ছিলেন।কিন্তু প্লেটোর দর্শণের সাথে এরিস্টটলের নিজের দর্শণের দূরত্বের দরুণ প্লেটোর আত্মীয় Speusippus- কেই একাডেমির প্রধান হিসেবে বেছে নেয়া হয়।

এরিস্টটলের রচনাবলী শুধুমাত্র তাঁর সময়েই প্রভাব বিস্তারকারী ছিল না,বরং নিউটনের আগ পর্যন্ত,পরবর্তী দুই হাজার বছর ধরে সমস্ত বিজ্ঞানের ভিত্তিমূল হিসাবে স্বীকৃত ছিল।

দর্শন,যুক্তি,জোতির্বিজ্ঞান,জীববিজ্ঞান,পদার্থ বিজ্ঞানসহ অসংখ্য বিষয়ে লিখে গেছেন তিনি।যুক্তিবাদী হিসেবে তিনি ছিলেন সবচেয়ে শক্তিশালী।গ্রীকদের চিন্তাভাবনার বেশীরভাগই সংরক্ষিত ছিল আলেকজান্দ্রিয়া শহরের লাইব্রেরী-তে।

এরিস্টটলের মৃত্যুর সময়কালীন সময়ে আলেকজান্দ্রিয়া পরিণত হয় সারাবিশ্বের জ্ঞানের তীর্থভূমিতে।আলেকজান্দ্রিয়ার এই লাইব্রেরী দুই বার ধ্বংস করে দেয়া হয়।প্রথমবার করেছিল ক্রিশ্চান বিশপথিওফিলাস ৩৯০ সালের দিকে।সপ্তদশ শতাব্দী-তে একে দ্বিতীয়বারের মত ধ্বংস করে দেয় মুসলমানেরা।

এরিস্টটলের স্ত্রীর নাম ছিল পাইথিয়াস।তাদের এক কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করে।পাইথিয়াস দীর্ঘদিন বাঁচেননি।

খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৩ সালে মহাবীর আলেকজান্ডরের মৃত্যুর পর এরিস্টটল এথেন্স থেকে চলে যেতে বাধ্য হন এবং ইউবা দ্বীপের ক্যালসিস নামক স্থানে তাঁর মায়ের  জমিদারিতে অবস্থান নেন।সেখানেই তিনি পরের বছর পেটের পীড়ায় ৬৩ বছর বয়সে দেহত্যাগ করেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Article End Ads