Header Ads Widget

'মাদক'-সমাজের অভিশাপ

https://rokomarishikkha.blogspot.com/2018/10/blog-post_34.html

বর্তমান পৃথিবীতে মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় ৫০কোটি(বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে)।এই বিপুল সংখ্যক মাদক গ্রহণকারীর মধ্যে বাংলাদেশে প্রায় ৫০ লক্ষ মাদক গ্রহণকারী রয়েছে(আইসিডিডিআরবির ‘জার্নাল অব হেলথ পপুলেশন অ্যান্ড নিউট্রিশন (জেএইচপিএন)’–এর তথ্য অনুযায়ী)।তবে অনেকের দাবি এর সংখ্যা প্রায় ৭০লক্ষ।সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে এটা যে,মাদক গ্রহণকারীদের ৫৬.১ শতাংশ বেকার বা ছাত্র বলতে গেলে যুবক।এটা খুই শোচনীয় বিষয়।দেশের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে যুবক শ্রেণি।আর সেই যুবক শ্রেণি মাদকে আক্রান্ত।মাদকাসক্ত সমাজের অভিশাপ।
মাদকাসক্ত ব্যক্তি সমাজের উন্নয়নে বাধার সৃষ্টি করে।
মাদক সমাজের যুবক শ্রেনীকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।মাদক এর প্রভাব সমাজে খুবই প্রবল।আমাদের দেশে কিশোর সন্ত্রাসীর ক্রমবর্ধমান দাপটের যে তথ্য সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে তার মূল কারণ সম্ভবত নিহিত রয়েছে (মাদক বা মাদকাসক্তির)এই বিষয়ে। দেশের সর্বত্র স্কুল-কলেজগামী মেয়েদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করা,গুলি বা ছুরিকাঘাতে হত্যা করা কিংবা সড়ক দুর্ঘটনার আধিক্যের পেছনেও রয়েছে মাদকাসক্তির ভূমিকা অন্যতম।


  • মাদকে যুব সমাজের ভাঙ্গন।

COLLECTED

যুগ পরম্পরায় ন্যায়,সত্যের,উন্নয়নের জন্যে সংগ্রাম করে যারা জীবন উৎসর্গ করে, নতুন জীবনের বাণী রচনার ভার যাদের উপর নির্ভর করে তারা আমাদের গর্বের যুব সমাজ।যারা অসাধারণ সুন্দরের আকাঙ্ক্ষাকারী,অসাধ্য সাধনের কারিগর তারা আমাদের সমাজের তরুণ প্রজন্ম। যেখানে প্রতিকারহীন মানবতা বার বার অশ্রু ঝরিয়ে শব্ধহীণ কান্নায় মুষড়ে পড়ে, সেখানে মন যাদের বিশ্বাসে ভরপুর, যাদের কাঁধে,হাতে ভবিষ্যতের রঙিন স্বপ্ন, যারা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না, পুরাতনকে ভেঙেচুরে,বাদ দিয়ে নতুন কিছু করতে চায় সেই তরুণরা জীর্ণ জাতির জীর্ণ সমাজের বুকে আশার আলো জাগায়। আদিম বা পুরাতনকে পেছনে ফেলে তারা মেতে উঠে সৃষ্টি সুখের উল্লাসে। রাত কিংবা দিন, মরু বা সাগর কোনো কিছুই যাদের কাছে প্রতিবন্ধক হয়ে উঠে না, ভরা যৌবন তাদেরকে নিয়ে যায় সমস্ত ভয়ঙ্করকে অতিক্রম করে এক সুন্দরের কাছে এক সৃষ্টির কাছে। দেশ কালকে তারা তুচ্ছ করে শুধু সৃষ্টির জয়গান গেয়ে যায়। এরাই দেশের প্রাণ। এ যুবসমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারলে একটি দেশের চেহারা তারা রাতারাতি পাল্টে দিতে পারে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো এ যুব সমাজ আজ সর্বনাশা মাদকের করাল গ্রাসে বিলীন হতে বসেছে।
শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র বিশ্বব্যাপী এর করাল গ্রাস থেকে মানুষ এখন মুক্তি চায়,মুক্তির পথ খুজে বেড়াচ্ছে। কিছুকাল আগেও মাদক দ্রব্য তৃতীয় বিশ্বের এ ভূখন্ড- বাংলাদেশে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করেনি। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশেও এর ভয়াবহ রূপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর সর্বগ্রাসী রূপ আমাদের যুব সমাজকে প্রতিনিয়ত বিপন্ন ও বিপর্যস্ত করে তুলছে,সমাজে সৃষ্টি করছে অরাজকতা। বাংলাদেশে এখন গাঁজা, চরস, আফিম ইত্যাদি প্রাচীন নেশা জাতীয় দ্রব্যের সাথে যুক্ত হয়েছে মরফিন, প্যাথেড্রিন, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ আরো অনেক নেশা জাতীয় দ্রব্য। এই ভয়াবহ সর্বগ্রাসী তরুণ প্রজন্ম বিনষ্টকারী মাদকের গ্রাস তরুণ প্রজন্মকে এক প্রলয়ঙ্করী সমস্যার মুখোমুখি করেছে ও সমাজের মূল যুব সমাজকে গ্রাস করছে। অতিরিক্ত জনসংখ্যা, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, সন্ত্রাস, ধর্মীয় গোড়ামি, কুসংস্কার ইত্যাদি নানা সমস্যায় জর্জরিত এ সমাজের সাথে উপরন্তু যোগ হয়েছে মাদক সমস্যা। মানুষ এ অশুভ ও অনাকাঙ্কিত শক্তির কাছে হারাচ্ছে তার সামাজিক পরিবেশের সুন্দর অবয়ব,গঠনকে। আমরা হারাতে বসেছি আমাদের সমাজের গর্ব তরুণ সমাজের উচ্ছলতাকে ও সৃজনশীলতাকে।

  • যুব সমাজের মাদক নেওয়ার কারন
COLLECTED

(১) মাদকাসক্তির বড় কারণ হলো মাদকের সহজলভ্যতা।
মাদক ক্রয় সহজলভ্য হওয়ায় সহজেই যুবক শ্রেণি তাদের হাত খরচ থেকে  এটি ক্রয় করতে পারে।এছাড়া এটি সহজলভ্য হওয়ায় অনেক যুবক এটিকে ফ্যাশন হিসেবে গ্রহণ করে থাকে।
(২) বন্ধুদের চাপে পড়ে অনেকে মাদক গ্রহণ করে থাকে।
অনেক সময় দেখা যায় বন্ধুমহলে অনেক বন্ধুরা মাদক গ্রহন করে থাকে।এই বন্ধুগুলো পরবর্তীতে যারা মাদক গ্রহন করে না তাদের মাদক গ্রহনের জন্য ঝোড় করে।ফলে চাপে পড়ে অনেকে মাদক গ্রহনে বাধ্য হয়।
(৩) বাবা-মায়ের আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অনেকে মাদক গ্রহণ করে থাকে।
বাবা-মায়ের ভালো আচরণ  থেকেই অনেক যুবক ভালো কিছু করার জন্য অনুপ্রাণীত হয়।
ঠিক উল্টো দিকে যখন বাবা-মা-র খারাপ আচারণ থেকে যুবক রা বিপথে পা দেয়।যার একটি মাধ্যম হচ্ছে মাদক গ্রহণ।বাবা-মায়ের খারাপ আচারণ ও দৃষ্টিভঙ্গির ফলে তারা মনে আঘাত পায়।এই মনের বেথা ও মানসিক চাপ দূর করার জন্য তারা মাদক-কে গ্রহন করে।
(৪) অনেকের মাঝে মাদক নিয়ে স্মার্ট হওয়ার ধারণা বা প্রবণতা থাকে যা তাকে ঠেলে দেয় মাদকের জগতে।
অনেক যুবক একটি ভুল ধারণা করে থাকে সেটি হচ্ছে মাদক স্রেবনের মাধ্যমে তারা স্মার্ট হয়ে উঠতে পারে।এই ধারনায় বশীভূত হয়ে তারা সহজেই মাদকে আসক্ত হয়ে পরে।
(৫) মানসিক সমস্যা যেমন: হতাশা, একাকীত্ববোধ, বিষণ্ণতার,অবসন্নতা ইত্যাদি কারণে এসব থেকে রেহাই পেতে মাদককে বেছে নেয়।
মানসিক সমস্যার কারণে অনেক যুবক মাদক গ্রহন করে থাকে।কোনো কাজে সফল না হয়ে  হতাশায় পরা,কারো খারাপ ব্যবহারে আঘাত পেয়ে একাকীত্ত্ববোধ করা,সকল বিষয়ে বিষণ্ণতা অনুভব করা,কাজে মনোযোগ দিতে না পারা ফলে অবসন্নতায় ভোগা ইত্যাদি কারণ দূর করার জন্য যুবক শ্রেণী বেছে নেয় মাদকে।
(৬) এন্টি সোশ্যাল পারসোনালাটি, শৈশবে বিকাশে সমস্যা থাকলেও অনেকে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে।
অনেক যুবক নিজেকে সমাজের একজন দক্ষ ব্যক্তিত্ত মনে করে বসে,আসলে সে  নয়।তাঁর এই আবান্তর ধারণা আরো ফলপ্রশু করার জন্য সে মাদক গ্রহণ করে।কারণ তাঁর ধারণা মাদক গ্রহন তাকে সমাজে একধাপ উচু স্থানে নিয়ে যাবে।
পাশাপাশি অনেক যুবকের শৈশবে বিকাশে সমস্যা থাকলে(যেমনঃপরিবেশ,ম=বসবাসের স্থান)।
(৭) ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ায় মানসিক কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে মাদক গ্রহণ করে।
যুবকের ভালোবাসার মানুষ যখন তাকে ছেড়ে চলে যায় তখন যুবক মানসিক ভাবে আঘাত পায়।সে পুড়নো স্মৃতি বার বার মনে করে মানসিক কষ্ট পায়।ফলে এই কষ্ট নিবারণের জন্য সে মাদক দ্রব্য গ্রহন করে থাকে।

আরো অনেক কারণ রয়েছে যার জন্য আমাদের যুবক শ্রেণী মাদকাসক্তে আক্রান্ত-
যা আমরা আমাদের সমাজের দিকে তাকালে ভালো করে বুঝতে পাড়ব।
-চলো এখন দেকে নেয় কীভাবে পরিবার,সমাজ,ব্যাক্তিগত ও রাষ্ট্রিয়ভাবে মাদক গ্রহন প্রতিরোধ করা যায়..........

  • মাদক গ্রহণ প্রতিরোধে পরিবারের করণীয়

সন্তান তার পরিবারের পরিবেশ দ্বারা অনেক প্রভাবিত হয়ে থাকে। তাই পারিবারিক পরিবেশ হতে হবে সম্পূর্ণ ধূমপান মুক্ত। সন্তানদের কার্যকলাপ ও সঙ্গীদের,তারা কাদের সাথে চলা-ফেরা করছে এ সকল ব্যাপারে খবর রাখতে হবে। সন্তানরা যেসব জায়গায় যাওয়া আসা করে সে জায়গাগুলো সম্পর্কে জানতে হবে। সন্তানদের সাথে খোলামেলা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। যাতে তারাই নিজ থেকে তাদের বন্ধুবান্ধব ও কার্যাবলী সম্পর্কে আলোচনা করতে আসে । ধৈর্য সহকারে তাদের সব কথা শুনতে হবে ।পরিবারের সকল সদ্যসদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। সন্তানদের মাঝে নিরাপত্তা বোধ তৈরি করতে হবে। পিতামাতার গুড প্যারেন্টিং বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। 
মাদকাসক্ত হয়ার পর করণীয়:---
মাদকাসক্ত হয়ে গেলে পরিবাররে প্রতিটি সদ্যসকে মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে সেই অবস্থা থেকে বের করে আনার সর্বাত্মক প্রয়াস চালাতে হবে।প্রয়োজনে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।
সন্তান মাদকাসক্ত থেকে সুস্থ্য হয়ে ফিরে আসলে পুনরায় যেন মাদকে জড়িয়ে না পড়ে পিতামাতাকে সর্বদা সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
সন্তানদের জন্য নির্মল পরিবেশ তৈরি করতে হবে ।চিকিৎসকদের সকল পরামর্শ অনুযায়ী সন্তানকে লালন পালন করতে হবে।
প্রত্যেক পিতামতাই চায় তাঁর সন্তানের সুস্থ্য ও সুন্দর জীবন ।সেজন্য পিতামাতাকে বুঝে নিতে হবে তাঁর সন্তানের জন্য কোনটি সঠিক, কোনটি ভুল ।
  • মাদক গ্রহণ প্রতিরোধে সমাজের করণীয
১/ সমাজের সকল ধরনের মাদক বিরোধী অভিযানের সাথে ছাএ ও যুবকদেরকে সম্পৃক্ত করা । ২/ নিজে ধুমপান/ মাদকদ্রব্য গ্রহন থেকে বিরত থাকা।৩/অবসর সময়ে সন্তানদের সাথে কাটানো ও খেলাধুলা / সাংস্কৃতি চর্চায় উৎসাহিত  করা। ৪/ নিজ নিজ এলাকায় মাদক চোরাচালান, বিক্রয় স্থান চিহ্নিত করে উচ্ছেদ কার্যক্রমের সক্রিয় অংশগ্রহন করা । ৫/ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , হাট-বাজার , স্ট্যশন, ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক বিরোধী সভা , সমাবেশ, র‍্যালি, রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগীতার আয়োজন করা ৬/ চিকিৎসকের চিকিৎসাপত্র ব্যতিরেকে কোন প্রকার নেশা জাতীয় ওষুধ বিক্রী না করা ও ওষুধ বিক্রেতা কর্তৃক মাদক জাতীয় দ্রব্য ক্রয় নিরুতসাহিত করা । ৭/ স্থানীয় , জাতীয় পত্রিকা ও টি-ভি চ্যানেলের মাধ্যমে এবং এনজিও প্রতিনিধিদের স্ব-স্ব এলাকায় মাদক বিরোধী প্রচার অভিযানে সংস্লিষ্ট করা (যেমনঃ- পোষ্টার , ব্যানার, র‌্যালি)  মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার ও কুফল সর্ম্পকে তুলে ধরা । ৮/ আইন-শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদক বিরোধী আইন প্রয়োগে সচেষ্ঠ থাকা ও মাদক সরবরাহকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা । ৯/ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাদকের কুফল সর্ম্পকে তুলে ধরা ও ধর্মীয় অনুশাসন পালনে উদ্বুদ্ধ করা। ১০/ স্থানীয় পর্যায়ে স্ব-স্ব  এলাকার জনপ্রতিনীধিদের মাধ্যমে মাদকাসক্তি প্রতিরোধে কমিটি গঠন করা ও কার্যক্রম চালু করা। ১১/ প্রত্যেক নাগরিকের অন্ন , বস্র, বাসস্থান , শিক্ষা ,সাস্থ্য, কর্মসংস্থান নিশ্চিত এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেওয়া । ১২/ যুব সমাজের অনুকূল সুস্থ নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা । ১৩/ মাদকের ব্যপারে নিজ সিদ্ধান্তে অটল থাকা ও মাদককে সর্বদা না বলা । ১৪/ সামাজিকভাবে সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হবে । শিক্ষক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, ডাক্তার ,আইনজীবি, ব্যবসায়ী, সচেতন ব্যক্তি, ছাত্র-ছাত্রী,সমাজের বাসিন্দা, প্রত্যেকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হবে । এই ক্ষেত্রে আইন-শৃংঙ্খলা বাহিনী রহস্য জনক কারণে নীরব না থাকিয়া গুরুত্তপূর্ন ভূমিকা পালন করতে হবে।
উপরের বর্ণিত সবগুলোই ব্যক্তিগত ভাবে পালন করতে হবে

এসো বন্থুরা আমরা প্রতিজ্ঞা করি----আমরা কখনও মাদক গ্রহণ করব না,কোনো অবস্থাতেও না।
এবং পাশাপাশি যারা মাদক গ্রহন করে থাকে তাদের এই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিয়ে তাদেরকে মাদক থেকে দূরে সরিয়ে আনব।---
আমাদের স্লোগান হোক---------""চাই,একটি মাদকমুক্ত পৃথিবী""।
==================================
LIKE OUR PAGE:FACEBOOK

WATCH OUR VIDEO:YOUTUBE

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Article End Ads