Header Ads Widget

বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা চলে গেলে কীভাবে ফেরত পাবো?

বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা চলে গেলে কীভাবে ফেরত পাবো?

যদি আপনি ভুল করে বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা পাঠিয়ে দেন তাহলে কীভাবে সহজেই টাকা ফেরত পেতে পারেন সে সম্পর্কে আজকের পোষ্টটি।আশা করি,সহজেই বুঝতে পারবেন।

https://rokomarishikkha.blogspot.com/2021/09/how-to-get-money-back-in-bkash.html

প্রায় সময় বিকাশ কিংবা নগদ এবং রকেট-এর আর্থিক লেনদেন করার সময় অসাবধানতাবশত ভুল নম্বরে টাকা চলে যায়।মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় আর্থিক লেনদেন করায় এই ভুলটি হয়ে থাকে।ফলে,দুশ্চিন্তাই পড়ে যেতে হয় টাকা ফেরত পাবো কি পাবো না।এরকম সমস্যায় পড়ে অনেকেরই টাকা হারাতে হয়।তাই এরকম  ভুল হয়ে গেলে টাকা ফেরত পেতে কী কী করণীয় তার একটি নির্দেশনা বিকাশ দিয়ে রেখেছে।

বিকাশ কর্তৃপক্ষ প্রথমেই যে পরামর্শ দিয়ে থাকে তা হচ্ছে–টাকা ভুল নম্বরে/একাউন্টে চলে গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাপককে কল করবেন না।কারণ,ভুলবশত অন্য নম্বরে টাকা চলে গেলে,তা ফিরিয়ে দেয়ার মানসিকতা খুব কম লোকেরই আছে।তাই প্রাপক টাকা উঠিয়ে ফেললে,ভুক্তভোগীর আর কিছুই করার থাকবে না।

তারজন্য জন্য অ্যাকাউন্ট থেকে ভুলবশত কোনো নম্বরে টাকা চলে গেলে প্রথমেই নিকটবর্তী থানায় যোগাযোগ করতে নির্দেশ দিয়ে থাকে বিকাশ।সেখানে প্রেরনকৃত টাকার  ট্রানজেকশন নাম্বার নিয়ে জিডি করে যত দ্রুত সম্ভব সেই জিডির কপি নিয়ে বিকাশ অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

বিকাশ অফিসে অভিযোগ করার সাথে সাথে বিকাশ কর্মকর্তারা জিডির কপি এবং মেসেজ খতিয়ে দেখেন।


এরপর যে ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ভুলে করে টাকা সেন্ড হয়ে গেছে,ওই ব্যক্তির বিকাশ অ্যাকাউন্টটি টেম্পোরারি লক করে দেওয়া হয়।যাতে করে তিনি কোনো টাকা তুলতে বা কোথাও  টাকা পাঠাতে না পারেন।



এর পরক্ষণই ওই ব্যক্তির সঙ্গে বিকাশ কর্তৃপক্ষরা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন।প্রাপক ফোন ধরে যদি ঘটনার সকল সত্যতা নিশ্চিত করে,ওই টাকা নিজের নয় বলে স্বীকার করে,তখন অফিস থেকেই টাকাটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে দেয় বিকাশ কর্তৃপক্ষরা।


আর যদি ওই ব্যক্তি যার কাছে টাকা চলে গেছে সে যদি নিজের টাকা বলে দাবি করে থাকেন,তা হলে তাকে ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে অব্যশই প্রমাণসাথে করে নিয়ে বিকাশ সেন্টারে এসে অ্যাকাউন্ট ঠিক করে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয় বিকাশ কর্তৃপক্ষ থেকে।


সেই নির্দেশনা না মেনে ব্যক্তি যদি পরবর্তী ৬ মাসে না আসে তাহলে ভুক্তভোগী প্রেরকের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে।এর পরবর্তী ৬ মাসেও যদি না আসে তাহলে অ্যাকাউন্টটি চিরতরের জন্য অটো ডিজেবল করে দেওয়া হবে।


নোটঃনগদ ও রকেট এ দুটোতেও একই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টাকা ফেরত পাবা যাবে।

এই পোষ্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না।


আরো পড়তে পারেন-

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Article End Ads